চা-কন্যা ভাস্কর্য ও শ্রীমঙ্গলের সাত রঙের চা — চায়ের দেশের প্রবেশদ্বার
বাংলাদেশের চায়ের রাজধানী শ্রীমঙ্গলে প্রবেশ করলেই পর্যটকদের স্বাগত জানায় এক অনিন্দ্যসুন্দর শ্বেতশুভ্র ভাস্কর্য — চা-কন্যা (Cha Kannya Statue)। পাহাড়ি নারী চা শ্রমিকের পিঠে চায়ের ঝুঁড়ি নিয়ে দুটি পাতা একটি কুঁড়ি তোলার ভঙ্গিমায় নির্মিত এই ভাস্কর্যটি সিলেট ও শ্রীমঙ্গলের সমৃদ্ধ চা সংস্কৃতির প্রতীক। আর শ্রীমঙ্গলে এলে যে জিনিসের স্বাদ না নিলেই নয়, তা হলো রমেশ রাম গৌড়ের উদ্ভাবিত বিশ্বের বিস্ময়কর ‘সাত স্তরের সাত রঙের চা’।
☕ নীলকণ্ঠ টি কেবিন ও সাত রঙের চায়ের রহস্য
শ্রীমঙ্গল শহরের রামনগর ও বাংলাদেশ বর্ডার গার্ড (বিজিবি) ক্যাম্প সংলগ্ন নীলকণ্ঠ টি কেবিনে পরিবেশন করা হয় এই বিখ্যাত সাত রঙের চা। একটি কাঁচের স্বচ্ছ গ্লাসে বিভিন্ন ঘনত্ব ও ফ্লেভারের চা ঢেলে এমন নিপুণ কৌশলে স্তরগুলো আলাদা রাখা হয় যে এক রঙের চা অন্য রঙের সাথে মেশে না। মিষ্টি থেকে শুরু করে মসলাদার বিভিন্ন স্বাদের এই চায়ের প্রতিটি চুমুকেই ভিন্ন স্বাদ পাওয়া যায়।
🚗 কীভাবে যাবেন ও দর্শন
শ্রীমঙ্গল শহরে প্রবেশমুখে সাতগাঁও চা বাগানের সামনে মহাসড়কের পাশেই চা-কন্যা ভাস্কর্য অবস্থিত। আর শহর থেকে সিএনজিতে ১০ মিনিটে বিজিবি ক্যাম্পের নীলকণ্ঠ টি কেবিনে সাত রঙের চা পান করা যায়।
🏨 জাফলং ও জৈন্তিয়া পাহাড়ে সেরা আবাসন — জৈন্তিয়া হিল রিসোর্ট
শ্রীমঙ্গলের চা স্বাদ নিয়ে সিলেটের মেঘালয় পাহাড়ের পাদদেশে জাফলং রোডে থাকার সবচেয়ে বিশ্বস্ত ঠিকানা জৈন্তিয়া হিল রিসোর্ট: stay.jaintahill.com।
জৈন্তিয়া হিল রিসোর্ট সম্পাদকীয় দল
আমরা পর্যটকদের কাছে সিলেটের অনুপম প্রাকৃতিক সৌন্দর্য, পাহাড়ি ঝর্ণা, চা বাগান ও নিরাপদ ভ্রমণের তথ্য পৌঁছে দিতে নিয়মিত লিখছি।